পৃথিবীর আকৃতি জিওড(Geoid)এর মতো , একবারে নিখুঁত গোল নয় আবার পুরোপুরি ডিম্বাকৃতীয় নয় .দেখতে অনেকটা আলু বা লেবু মতো একটু উঁচু নিচু গোলাকার ।
টলেমী
সূর্য পৃথিবীর চারদিকে হচ্ছে পৃথিবী স্থির।
কোপার্নিকাস
তিনি প্রথম ধারণা দেন যে পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরছে ।
কেপলার
কেপলার বলেন টলেমির ধারণা ভুল কোপার্নিকাস ঠিক বলেছেন আর তিনি বলেন যে পৃথিবীর সাথে আর বাকি সব গ্রহগুলি সূর্যের চারদিকে ঘুরছে ।
- নিরক্ষীয় ব্যাস: ১২,৭৫৩ কিমি
- মেরু ব্যাস: ১২,৭১৪ কিমি
- নিরক্ষীয় পরিধি: ৪০,০০০ কিমি
- পৃথিবী তার অক্ষের উপর ২৩½° কোণে হেলে থাকে এবং এর ফলে এটি তার কক্ষপথের তলের সাথে ৬৬½º কোণ তৈরি করে।
- সূর্যের চারপাশে একবার প্রদক্ষিণ করতে এর ৩৬৫ দিন এবং ৫ ঘন্টা ৪৫ মিনিট সময় লাগে।
- প্রচুর পরিমাণে জলের উপস্থিতির কারণে পৃথিবীকে “জলময় গ্রহ” বা “নীল গ্রহ” বলা হয়।
- সূর্য থেকে আসা ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি থেকে জীবনকে রক্ষা করার জন্য পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে ওজোন স্তরের একটি সুরক্ষামূলক আবরণ রয়েছে।
- সূর্য থেকে গড় দূরত্ব: ১৪৯,৪০৭,০০০ কিমি।
- আবর্তনকাল: ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪.০৯ সেকেন্ড (২৪ ঘন্টা)।
- পরিক্রমণকাল: ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট এবং ৪৫.৫১ সেকেন্ড (৩৬৫¼ দিন)।
- পৃথিবীর ঘূর্ণন 1600 কিলোমিটার পার হওয়ার পৃথিবীর ঘূর্ণনের কারণে উৎপন্ন বল কে কোরিওলিসিস বল বলা হয়ে থাকে।
- পৃথিবীর ঘূর্ণন ফল পৃথিবীর দিনরাত্রি এবং জোয়ার ভাটা হয়।
- পৃথিবীর পরিক্রমনের সূর্যের চারিদিকে ঘুরে ৩০ কিলোমিটার / সেকেন্ড
- পৃথিবীর পরিক্রমনের ফল বছরের পরিবর্তন ,মৌসুমের পরিবর্তন ,মেরুতে ৬ মাস দিন ৬ মাস রাত দিন বড় রাত বড় হয়ে থাকে।
- পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে ডিম্বাকার পথে(দীর্ঘ বৃত্ত)।
- পৃথিবী এবং সূর্যের মধ্যে এভারেজ distance হচ্ছে 15cr কিলোমিটার এই দূরত্ব সব সময় সমান নয় কারণ পৃথিবীর কক্ষপথ পুরো গোলাকৃতি নয় বরং দীর্ঘ বৃত্ত বা ডিম্বাকৃতির।
- সূর্যের থেকে পৃথিবীর দূরত্বকে অ্যাস্ট্রোনমিক ইউনিট ধরা 15crহয় কিলোমিটার
- সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব সব থেকে বেশি হয়, 4জুলাই একে অপসুর বলা হয় ।
- পৃথিবীর দূরত্ব সবচেয়ে কম হয় 3 জানুয়ারি থেকে অনুসুর বলে
- পৃথিবী এবং চাঁদ এর ঘূর্ণন সমান হবার কারণে আমরা চাঁদের এক ভাগকে দেখতে পাই না তাকে শান্তির সাগর বা Sea of Tranquilityবলা হয় ।
চাঁদে প্রথম মানুষ হিসেবে নীল আর্মস্ট্রং ১৯৬৯ সালে ২০ জুলাই Apollo 11 mission-এর মাধ্যমে ১ অবতরণ করেন। তাঁর সাথে আরও ছিলেন Buzz Aldrin (দ্বিতীয় ব্যক্তি যিনি চাঁদে হাঁটেন)।
চাঁদ তার নিজের চারদিকে ঘুরতে পৃথিবীর চারদিকে ঘুরতে সময় নেয়২৮ দিন তাই তার আবর্তন এবং পরিক্রমণের সময় সমান সমান।চাঁদের নিয়ে গবেষণা করা হয় তাকে বলা হয় স্যালাইনোলজি ।
এর রং সাদা দেখাবার কারণ চাঁদের নিজের কোন আলো নেই সূর্যের আলোকে প্রতিফলিত করে তাই চাঁদের রং সাদা দেখায়।
চাঁদের কক্ষপথ ডিম্বাকৃতি হওয়ার জন্য পৃথিবী এবং চাঁদের মধ্যে দূরত্ব সর্বদা সমান থাকে না এপ্রক্স ৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার
চাঁদ থেকে পৃথিবীর দূরত্ব কম থাকে সেই সময় তাকে পেরিজি,তার দূরত্ব বেশি থাকলে তাকে এপিজি বলা হয়
চন্দ্র থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ১.৩ সেকেন্ড
আমরা পৃথিবী থেকে চাঁদের সর্বোচ্চ ৪৯% দেখতে চাই
সুপার মুন
পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের চাঁদের অবস্থানকে পেরিজিবলা হয় সেই সময় চাঁদকে তুলনামূলকভাবে বড় দেখায় একে সুপার মন বলে।
বুলু মুন
কোন মাছের শুরুতে পূর্ণিমা হলে আবার সেই মাসের শেষের দিকে পূর্ণিমা ওঠে, ওই মাসের সেকেন্ড পূর্ণিমাকে আমরা ব্লু মুন বলে থাকি।
আমাবস্যা
যখন সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে চাঁদ এসে যায় তখন চাঁদের যে অংশেসূর্যের আলো পড়ে তা পৃথিবী থেকে দেখা যায় না। সেই অবস্থাকে আমরা নিয়মমুন বলে থাকি।
চন্দ্র গ্রহণ পূর্ণিমার সময় এবং সূর্য গ্রহণ অমাবস্যার সময় হয়ে থাকে


