সৌরজগত নির্মাণ সিদ্ধান্ত সিদ্ধান্ত দেখব
Mono start theory
laplus সিদ্ধান্ত
সূর্যের বাইরের অংশ ভেঙ্গে বেরিয়ে এসে প্লাজমা আস্তে আস্তে ঠান্ডা হয় গ্রহ সৃষ্টি করে ।
কান্টের সিদ্ধান্ত
সূর্যের বাইরে একটি অংশ ভেঙে গিয়ে ওই বড় টুকরোটা থেকে ছোট ছোট অংশে ভেঙ্গে গিয়ে গ্রহ হয়সৃষ্টি হয় ।এই দুটি সিদ্ধান্ত ভুল হওয়ার কারণ গ্রহের মধ্যে সূর্যের বৈশিষ্ট্য মিল পাওয়া যায় নাতাই এই সিদ্ধান্তকে ভুল মনে করা ।
ডুয়াল স্টার থিওরি (Dual Star Theory)
চেম্বার লিন ওজেমস জিন্স এর মতে সূর্যের নিকটবর্তী একটি তারা ভেঙে গিয়ে গ্রহের সৃষ্টি করেছে ।দুজনের সিদ্ধান্ত ভুল বলে মনে করা হয় কারণ সূর্যের নিকটবর্তী তারার বিস্ফোরণ ঘটলে সূর্য ও অস্তিত্ব থাকত না ।
লিলিটন থিওরি (Lyttleton Theory)
সূর্যর নিকটবর্তী দুটি তারা ছিল রাবিস্ফোরণের মাধ্যমে গ্রহ উপগ্রহ এবং ধূমকে সৃষ্টি করে।
এই ধারণাটা ঠিক হওয়ার কারণ আমাদের নিকটবর্তী যতগুলি গ্রহ রয়েছে তার মধ্যে দুটি তারার বৈশিষ্ট্য বর্তমান।
সূর্যের অভ্যন্তরীণ ভাগ প্রধানত তিনটি স্তরে ভাগ করা হয়ে থাকে।
১.কোর Core
সূর্যের একেবারে কেন্দ্রের অংশ এখানে নিউক্লিফিউজান ঘটে হাইড্রোজেন হিলিয়ামের রূপান্তরিত হয়,এখানে তাপমাত্রা প্রায় ১.৫ কোটি °C ।
২. রেডিয়েটিভ জোন (Radiative Zone)
এখানেও শক্তি তরঙ্গ আকারে বাইরে বেরায় । এখান থেকে এক্সরে ,আলফারে, গ্রামারে নির্গত হয় ।
৩. কনভেকটিভ জোন (Convective Zone)
সবচেয়ে বাইরের অভ্যন্তরীণ স্তর এখানে হাইড্রোজেনের ভান্ডার পাওয়া যায় এবং এখানে বড় বড় হাইড্রোজেনের সেলও দেখা যায় ।
সূর্যকলঙ্ক (Sunspot) কী?
সূর্যের শক্তিশালী চুম্বকীয় ক্ষেত্রের ফলে যে অংশের উষ্ণতা তুলনামূলকভাবে কম তা সূর্য নিজের দিকে টেনে নেয়। সেই অংশের উজ্জ্বলতা কম দেখা এবং সেই কারণে সে একটি দাগের মতো দেখা যায়, একে সূর্য কলঙ্ক বা সান স্পর্ট বলা হয় । সৌর কলঙ্ক ৪০ ডিগ্রি পর্যন্ত যেতে সাড়ে পাঁচ বছর সময় লাগে আর ফিরে আসতে সাড়ে পাঁচ বছর সময় লাগে। ১১ বছরে সোলার স্পট একটা সাইকেল পূর্ণ করে ।
- 2013- 23 সাইকেল কমপ্লিট করে।
- 2024-24 সাইকেল কমপ্লিট করে।
- 2026 এ 25 তম সাইকেল চলছে ।
সূর্যজ্বালা (Solar Flare) কী?
এর চেয়ে অংশ বেশি উজ্জ্বল তাকেসূর্যজ্বালা (Solar Flare) বলা হয় ।
অরোরা (Aurora) কী?
ভিডিও থেকে আসা চার্জযুক্ত কণা বা সূর্যজ্বালা বায়ুমন্ডলের সাথে সংঘর্ষে রঙ্গিন আলো তৈরি করে এই অবস্থাকে অরোরা (Aurora) বলা হয় । এটি সাধারণত উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে দেখা যায় । উত্তর মেরু → Aurora Borealis
দক্ষিণ মেরু → Aurora Australis নামে পরিচিত ।
সূর্যের এর বাহিরের তিনটি স্তরে ভাগ করা হয়ে থাকে।
ফটোস্ফিয়ার (Photosphere) কী?
সূর্যের বাহিরের ভাব যা আমরা দেখতে পাই একে আলো মণ্ডল বা ফটোস্ফিয়ার (Photosphere) বলা হয় এখানকার উষ্ণতা প্রায় ৬০০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস ।
ক্রোমোস্ফিয়ার (Chromosphere) কী?
ফটোস্ফিয়ারের নিচের স্তর কে বলা হয় ক্রোমোস্ফিয়ার (Chromosphere) বা বন্য মন্ডল এখানকার উষ্ণতা প্রায় ২৮ হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বত্রিশ হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস ।
সূর্যমুকুট (Corona) কী?
সূর্যমুকুট (Corona) হলো সূর্যের সবচেয়ে বাইরের স্তর যা সূর্য গ্রহনের সময় সাধারণত মুকুট এর মতো দেখা যায়।
- সূর্যে 75%হাইড্রোজেন ২৪% হিলিয়াম এবং ১% অন্যান্য গ্যাস থাকে ।
- সূর্য পৃথিবী থেকে প্রায় তিন লক্ষ ত্রিশ হাজার গুণ বেশি ভারী ।
- সূর্যের বেশ পৃথিবীর তুলনায় একজন বড় ।
- সূর্যের গুরুত্ব আকর্ষণ পৃথিবীর তুলনায় 28 বেশি ।
- চোপ প্রতি সেকেন্ডে 3.8 × 10²⁶ জুল/সেকেন্ড। জুল তাপ উৎপন্ন করে ।
ল্যাগরেঞ্জিয়ান পয়েন্ট (LagrangianPoint) কী?
সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে সেই জায়গা যেখানে কারো গুরুত্বপূর্ণ আকর্ষণ সমানভাবে প্রভাবশালী তাকে বলা হয় ল্যাগরেঞ্জিয়ান পয়েন্ট (Lagrangian Point) ।






