মহাবিশ্ব
মহাবিশ্ব বলতে বোঝায় আকাশগঙ্গা বা গ্যালাক্সি ,সূর্য ,তারামণ্ডল ,নক্ষত্র মন্ডল, গ্রহ ,উপগ্রহ ,ধুমকেতু প্রভৃতিকে একসঙ্গে মহাবিশ্ব বলা হয়। বেলজিয়ামের বাসিন্দা ক্যাথলিক যাজক ফাদার জর্জেস লেমেতর (Georges Lemaître)মহাবিশ্বের সৃষ্টির ক্ষেত্রে বিগ ব্যাঙ্ক থিওরি ব্যাখ্যা করেন ।
বিগ ব্যাং’ বা মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব একসময় মহাবিশ্ব একটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র, ঘন এবং উত্তপ্ত বিন্দু ছিল।তাঁর মতে,বিন্দুটি বিস্ফোরিত হয়েই আজকের এই মহাবিশ্ব তৈরি হয়েছে।
হাবল ডপলার এফেক্ট ব্যবহার করে দেখেছিলেন ক্রমাগত মহাবিশ্বের প্রসারণ ঘটছে তার মতে এর পেছনে রহস্যময় শক্তি কাজ করছে দরকার।
আকাশগঙ্গা /Galaxy
অনেকগুলি তারার সমূহ কে(100বিলিয়ন-400বিলিয়ন)আকাশগঙ্গা বা Galaxyবলা হয় ।
আমাদের গ্যালাক্সির নাম হল -Milky Way-কেই ‘মন্দাকিনী’ বলা হয়।আমাদের আকাশগঙ্গা গ্যালাক্সিটি দেখতে সর্পিল (Spiral)আকৃতির।
আমাদের নিকটবর্তী আরো দুটি গ্যাল্যাক্সি রয়েছে সেগুলি হল-
1.’Andromeda’ বা ‘Debyani'(প্রথম বৃহত্তম) । এটি আমাদের থেকে ২৫ লক্ষ আলোকবর্ষ দূরে।
2.MGC-M-33 (তৃতীয় বৃহত্তম গ্যালাক্সি )টি আমাদের থেকে প্রায় ৩০ লক্ষ আলোকবর্ষ দূরেঅবস্থিত ।
সূর্য আকাশগঙ্গা চারিদিকে ঘোরে 250k/s। আকাশগঙ্গা এর সম্পূর্ণ পরিক্রমণ করতে সূর্যের সময় লাগে ২৫ কোটি বছর, এই ২৫ কোটি বছরকে বলা হয় এক গ্রাম ব্রহ্মান্ডো বছর।
সৌরজগতের সবথেকে কাছের নক্ষত্র (সূর্যের পরে) প্রক্সিমা সেন্টাউরি (Proxima Centauri) পৃথিবী থেকে প্রায় ৪.২৪ আলোকবর্ষ (Light Years) দূরে অবস্থিত।
নক্ষত্র
সূর্যের চারিদিকে অনেকগুলি তারার সমূহকে নক্ষত্র বলা হয় এইরকম সূর্যের চারিদিকে ২৭ টি নক্ষত্রহ রয়েছে।
তারামণ্ডল
সূর্য থেকে অনেক দূরে অবস্থিত তারা সমূহকে বলা হয় তারামণ্ডল।
এর সংখ্যা 88/89
1.বৃহৎ সপ্তর্ষি মণ্ডল
এটি দেখতে অনেকটা ‘প্রশ্নবোধক চিহ্ন’ মতো। সাতটি উজ্জ্বল নক্ষনিয়ে গঠিত Little Dipper বা Little Bear,Ursa Majorr নামে পরিচিত।
2.লঘু সপ্তর্ষি মণ্ডল (Ursa Minor)
একে ইংরেজিতে Little Dipper বা Little Bear বলা হয়। এটিও দেখতে বৃহৎ সপ্তর্ষির মতোই, তবে আকারে ছোট এবং একটু উল্টোভাবে থাকে।
ধ্রুবতারা
ধ্রুবতারা সবসময় পথপ্রদর্শকের কাজ করে এসেছে বলে Lodestar বলা হয়ে থাকে,প্রাচীনকালে নাবিকরা এবং মরুভূমির পথিকরা ধ্রুবতারা দেখেই উত্তর দিক নির্ণয় করত।ধ্রুবতারা হলো লঘু সপ্তর্ষি মণ্ডল (Ursa Minor)-এর অংশ। এটি সবথেকে উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং এর লেজের প্রান্তে অবস্থিত।
Orion তারামণ্ডল -শিকারীতারা – The Hunterstar
ক্যানিস মেজর (Canis Major) এর রাতের আকাশের সবথেকে উজ্জ্বল তারা সিরিয়াস (Sirius)যা Dog Starনামে পরিচিত।
হাইড্রা (Hydra)মহাকাশের সবথেকে বড় নক্ষত্রমণ্ডল (আয়তনে) তারার সংখ্যা 68।
Sentraus নক্ষত্রমণ্ডল তারার সংখ্যা 98।
Also read সূর্য ও সৌরজগত কীভাবে তৈরি হলো? সূর্যকলঙ্ক, অরোরা এবং লিলিটন থিওরির বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা
Also read সূর্য ও সৌরজগত কীভাবে তৈরি হলো? সূর্যকলঙ্ক, অরোরা এবং লিলিটন থিওরির বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা






