মহাকাশ বিজ্ঞানের সহজ পাঠ: তারার জন্ম, মৃত্যু এবং চন্দ্রশেখর সীমার রহস্য – নীহারিকা থেকে ব্ল্যাক হোল

By 111bongeducation@gmail.com

Date:

16 views

তারার

 Astronomy 

পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের বাইরে মহাজগতিক বস্তু যেমন -তারা গ্রহ-উপগ্রহ ছায়াপথ ধুমকেতু ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা কে বলা হয়  Astronomy

 তারা

 মহাকাশে বড় গ্যাসের গোলা যখন অনেক কাছাকাছি চলে আসে ঘনত্ব বেড়ে যায় তখন তাকে বলা হয় নীহারিকা(Nebula)। নীহারিকার মধ্যে চাপ আরো বাড়ে এবং পরমাণু একে অপরের সঙ্গে ধাক্কা লেগে নিউক্লিয় ফিউশন ঘটায় । 

এক লক্ষ্য থেকে কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায় হাইড্রোজেন পরমাণু একত্রিত হয়ে হিলিয়ামের রূপান্তরিত হয় ,প্লাজমা অবস্থায় রূপান্তর ঘটে প্রচুর তাপ ও আলোর সৃষ্টি হয় তখন তাকে তারা বলা হয়। 

তারার রং নির্ভর করে তাপমানের উপর (পৃষ্ঠতাপ)। 

High temperature -Blue colour 

Medium temperature -White colour 

Low temperature -Red colour 

তারা নিজস্ব লাইট এবং হিট হয়েছে । 

 

লাল দানব 

যখন তারার মধ্যে নিউক্লিয় ফিউশন জন্য হাইড্রোজেন জ্বালানি শেষ হয়ে আসে ,তারার আকারে বড় হয়ে যায় এবং তারা চমক কমতে শুরু করে তখন তাকে বলা হয় লাল দানব(Red giant star)। 

সাদা বামন তারা 

 হাইড্রোজেন জ্বালানি শেষ মুহূর্তে পৌঁছায় তারপরে সংকুচিত হয়ে সাধারণ সাদা বামন তারা  সৃষ্টি করে। তারাটি শেষ বারের জন্য জ্বলে ওঠে তারপর মৃত্যু ঘটে ।তাই একে জীবাশ্ম তারা বলা হয়। 

 কালা  বামন  তারা 

যখন তারার মধ্যে হাইড্রোজেন জ্বালানি শেষ হয়ে যায় তখন তাকে কালো বামন তারা বলে। 

Supernova /অভিনব তারা

একটি বড় তারার বিবর্তনের শেষ পর্যায় অত্যন্ত শক্তিশালী ও উজ্জ্বল বিস্ফোরকে  অভিনবতারা বলা হয় ।

Neutron star

সুপার নোভার বিস্ফোরণের পর অনেকগুলি নিউট্রন তারা তৈরি হয় । 

এটি খুব ছোট কিন্তু অত্যন্ত ঘন
প্রায় ১০–২০ কিমি ব্যাস।
এক চামচ পদার্থের ওজন কোটি টন হতে পারে। 

Pulser  

পালসার হলো এক ধরনের খুব ঘন ও দ্রুত ঘূর্ণনশীল নিউট্রন তারা (neutron star) এখান থেকে ইলেকট্রন ম্যাগনেটিক ওয়েব বের হয় । 

কৃষ্ণ বিবর (Black hole)

যখন একটি বিশাল ভোরের তারা তার জীবনের শেষ পর্যায়ে জ্বালানি শেষ করে  ভেঙ্গে পড়ে মাধ্যাকর্ষণের তারার কেন্দ্র  সংকুচিত হয়ে ব্ল্যাক হোলের সৃষ্টি করে । 

 

চন্দ্রশেখর সীমা (Chandrasekhar Limit) কী?

 

ভারতীয় বিজ্ঞানী Subrahmanyam Chandrasekhar এর মতে কোন তারা তার জীবনের শেষ পর্যায় সাদাবামন তারা না অভিনবতারায়  রূপান্তর হবে তা ঠিক করার জন্য একটি থিওরি দেন। সেটি চন্দ্রশেখর সীমা বলে পরিচিত । যদি তারার ভর সূর্যের ভোরের 1.44 গুণএর বেশি হয় তাহলে সেটি সুপার নোভা তারা পরিণত হয় , সূর্যের ভোরের 1.44 গুণএর কম হয় তাহলে সেটি সাদা বামন তারা পরিণত হয় । 

 A . গ্যাস- নেবুল /Niharika -তারা – Red Giant / Red Supergiant লাল দানব- White dwarf/ সাদা বামন তারা -কালা  বামন  তারা (ছোট তারার জীবনকাল   যার ভর সূর্যের ভোরের1.44গুণের কম)

B.গ্যাস- নেবুল /Niharika -তারা – Red Giant / Red Supergiant লাল দানব- Supernova /অভিনব তারা- Neutron star-কৃষ্ণ বিবর /Black hole
(বড় তারার জীবনকাল   যার ভর সূর্যের ভোরের1.44গুণের বেশি)

HOME

Also read

Leave a Comment