অতীতে এর বিশেষ ঘটনা যা বর্তমানকে প্রভাবিত করে তাকে ইতিহাস বলে।ইতিহাস থেকে আমরা শিক্ষ্য নিয়ে আমরা আমাদের ভবিষৎ কে আরো ভালো করতে পারবো তাই আমাদের ইতিহাস পড়ার দরকার।
ইতিহাসের জনক বলা হয় হেরোডোটাস কে।
ইতিহাস কে সাধারণত তিন ভাগে ভাগকরা হয়।
১)Prehistory (প্রাগৈতিহাসিক যুগ)
এই সময় মানুষ লিখতেপড়তে জানতো না, এই সময় কোন লিখিত বিবরণ পাওয়া যায়নি।
a.প্রাচীন প্রস্তর যুগ
প্রাচীন প্রস্তর যুগের মানুষের ছিল যাযাবর। যাদের কোন স্থায়ী বাসস্থান ছিল না, খাদ্য এবং বাসস্থানের জন্য এক জায়গা থেকে অন্য জায়গাতে ঘুরে বেড়াতো।এই সময় মানুষ প্রথম আগুনের ব্যবহার এবং চিত্রকারিতা শিখে।প্রথম চিত্রকারিতার নিদর্শন পাওয়া যায় মধ্যপ্রদেশের ভীমবেটকা তে ।
b.মধ্য প্রস্তর যুগ
এই সময় হাতিয়ারের আকার ছোট হতে শুরুকরে তাই একে মাইক্রোলিথএজ বলা হয়। এই সময় প্রথম মানুষ অন্তস্টি ক্রিয়া শুরু করে ।
c.নব্য প্রস্তর যুগ
এই সময় মানুষ সর্বপ্রথম স্থায়ীভাবে বসবাস করা শুরু করে ।
৭০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এই সময় প্রথমবারের জন্য মানুষ কৃষিকাজ( গম, জব )শুরু করে ।প্রথম কৃষিকাজের নিদর্শন মিলে মেহেরগুড়ে যাব বর্তমান পাকিস্তানের বালুচস্থানে অবস্থিত,সুলেমান (Sulaiman) এবং কির্তোর (Kirthar) পাহাড়ের মধ্যবর্তী অঞ্চলে প্রাথমিক কৃষি চর্চার নিদর্শন পাওয়া গেছে।
মানুষ এই সময় প্রথমবার পশু পালন শুরু করে ,কুকুর পালন করে ।
মানুষ এই সময় শস্য মাটির পাত্র রাখা শুরু করে, এই প্রথম মানুষ মাটির পাত্র বানানো শুরু করে।
নব্য প্রস্তর যুগের মানুষ প্রথম চাকার ব্যবহার শুরু করে এই যুগের প্রথম আধুনিক খোঁজ।
তাম্র প্রস্তর যুগ
নব্য প্রস্তর যুগের পরে ,সময়কাল: প্রায় খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০–৩৩০০ অব্দমানুষের দ্বারা খোঁজ করা প্রথম ধাতু হল তামা ।তাই একে তাম্র পুস্তর যুগ বলা হয়।
২) Protohistory (প্রটো-ঐতিহাসিক যুগ)
এই সময় মানুষ লিখতে পড়তে জানতো ।যা পাঠোদ্ধার করা এখন পর্যন্ত সম্ভব হয়নি।
এই সভ্যতার সিন্ধু এবং তার উপনদী কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল, তাই একে সিন্ধু সভ্যতা বলা হয়ে থাকে ।
সিন্ধু সভ্যতার প্রথম নিদর্শন হরপ্পা মিলেছিল তাই একে হরপ্পা সভ্যতা বলা হয়ে থাকে ।
৩) History (ঐতিহাসিক যুগ)
এইজন্য লিখিত বিবরণ আছে যা পাঠা উদ্ধার করাও সম্ভব
প্রাচীনকাল
মধ্যকাল
আধুনিক কাল
নেহেরু যুগ
World history







